1. admin@shikkhasamachar.com : admin :
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১০:৫২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
পিরোজপুরের কদমতলা ইউ’পি চেয়ারম্যানের মুক্তির দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষা সারাদেশের সাথে একযোগে ময়মনসিংহেও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর ৭৫ তম জন্মদিন উপলক্ষে নলছিটিতে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ – শিক্ষাসমাচার ব্যক্তিত্বহীন শিক্ষক : দায় কার ? শিক্ষাসমাচার নলছিটিতে প্রতিবন্ধীর মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ – শিক্ষাসমাচার নেত্রকোণা সীমান্তে মোটরসাইকেল ও ভারতীয় মদ জব্দ আটক ২ ভান্ডারিয়ায় জনপ্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় শেষে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন সাংসদ আনোয়ার হোসেন মঞ্জু জেলা প্রশাসনের দেয়া ফ্রি মাস্ক শিক্ষার্থীদের কাছে বিক্রি, অভিভাবকদের অসন্তোষ কুমিল্লায় এসএসসি ১৪ ও এইচএসসি ১৬ ব্যাচের বন্ধুদের মিলন মেলা অনুষ্ঠিত – শিক্ষাসমাচার পরিকল্পিত ভাবে কাজ করে নতুন প্রজন্মের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করলে বেকারত্ব দূর হবে- আনোয়ার হোসেন মঞ্জু

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানো দরকার যেসব কারণে – শিক্ষা সমাচার

তৌহিদুল ইসলাম রুবেল
  • আপডেট সময় : বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৩৫২ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টারঃ সরকারি চাকুরেদের বেতন বাড়ানো একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। বেতন কাঠামোর মধ্যে থেকে যদি চাকরিজীবীদের পরিবার স্বাচ্ছন্দ্যে জীবনযাপন করতে পারে, তবে দুর্নীতি তো বটেই অনেক অনিয়মই হ্রাস পাওয়া স্বাভাবিক।

বরেণ্য কথাশিল্পী শওকত ওসমান ১৯৭৪ সালে লিখেছিলেন তার বিখ্যাত একটি নাটক ‘আমি কেন বেতন পাই’। ব্যঙ্গ-বিদ্রুপে ঠাসা নাটকের প্রধান চরিত্রটি অফিসের চাকরি। প্রতিদিন অফিসে যান, তবে তার সময় কাটে আড্ডা মেরে। কোনো কাজ করে না সে। তার কোনো কাজ নেই অফিসে। তাই খই ভাজার মতো অবস্থা।

এক সময়ে নিজের মনেই প্রশ্ন জাগে- ‘আমি কেন বেতন পাই?’ এবার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতা আরেক দফা বৃদ্ধির প্রস্তাব ও সুপারিশ দেখে শওকত ওসমানের সেই বিখ্যাত নাটকটির কথা মনে পড়তেই পারে।

প্রশাসনকে গতিশীল করার জন্য যেমন মেধাবী, দক্ষ, সৎ, কর্মনিষ্ঠ, কুশলী, চৌকস কর্মকর্তা কর্মচারী প্রয়োজন, তেমনি তাদের জীবনযাপনকে সহনশীল রাখার জন্য গতিশীল ও জীবনধারক বেতন কাঠামোও জরুরি। বেতন বৃদ্ধি চাকরিজীবীদের জন্য সুসংবাদ বৈকি।

সরকারি কর্মজীবীদের ক্ষেত্রে এটা বিশেষভাবে প্রয়োজন। কারণ নির্দিষ্ট আয়ের সীমায় তাদের জীবন নির্বাহ করতে হয়। আর্থিক দুশ্চিন্তামুক্ত থাকলে যে কোনো মানুষেরই কর্মক্ষমতা বাড়ে। কাজের মানের উন্নতি হয়; সব কিছুই গতিশীল হয়। তাই বছরের শেষ প্রান্তে প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মজীবীর জন্য নয়া বেতন স্কেল ঘোষণা প্রশাসনে গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা আনতে ব্যাপক সহায়ক ভূমিকা পালন করবে সন্দেহ নেই।

মুক্তবাজার অর্থনীতির যুগে সরকারি পর্যায়ের বেতন কাঠামো বেসরকারি বেতন কাঠামোর তুলনায় অনেকটাই মস্নান বলা যায়। বেসরকারি খাতের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান আকর্ষণীয় বেতন ভাতা প্রদান করে মেধাবী ও উদ্যমী তরুণ-তরুণীদের নিয়োগ দিচ্ছে। বিশ্বায়নের এই যুগে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানসহ অনেক দেশও বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছে। সে তুলনায় সরকারি চাকরির একক কৌলিন্য তেমন নেই। বৈষয়িক প্রণোদনা ছাড়া কেবল দেশপ্রেম আর সমাজ ভাবনার আহ্বান দিয়ে আকর্ষণ করা যায়নি দীর্ঘসময়।

ফলে মেধাহীন চেতনায় দুর্নীতি, কম জানা, অনভিজ্ঞদের ভিড় বেড়েছে সরকারি চাকরিতে। নানা তদ্বীর ও সুপারিশে যেন মেধাহীনদের আশ্রয়স্থল সরকারি দফতর-অধিদফতরগুলোও।

মেধাবী, দক্ষ ও ইংরেজি জানা উদ্যমীরা সরকারি চাকরিতে আগ্রহী হবে। আর এমন কর্মজীবীরাই দেশকে গতিশীল ও উন্নত দেশে পরিণত করার ক্ষেত্রে হবে সহায়ক উপাদান। এর আগেও সরকারি চাকুরেদের বেতন বাড়ানোর পদক্ষেপ যে সর্বোতভাবে সুফল বয়ে এনেছে, তা কিন্তু নয়।

বরং তিক্ত অভিজ্ঞতার বহর বেড়েছে। বাড়তি যে বেতন মেলে তার একটা অংশ গ্রাস করে মূল্যস্ফীতি। ফলে বর্ধিত বেতন গলার কাঁটা হয়ে ওঠার ইতিহাসও রয়েছে। জনগণের বিভিন্ন অংশের ওপরও বেতন বৃদ্ধির ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। তাদের তো আর বেতন বাড়ে না, কিন্তু উত্তাপ সহ্য করতে হয় বাজারে বেতনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পণ্যমূল্য বাড়ার আগুনে।

সরকারি কর্মকর্তাদের সচ্ছল, আরামদায়ক জীবনযাপন, উন্নত লাইফস্টাইল নিশ্চিত করার বিনিময়ে সাধারণ জনগণ কি পাবে- আজ এ প্রশ্ন জাগছে সবার মনে। লাল ফিতার দৌরাত্ম্য, ঘুষ, দুর্নীতির বেড়াজাল থেকে প্রশাসনকে মুক্ত করা সম্ভব কিনা- সেটা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা উচিত।সংগ্রহীত

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর